বিপিএলে ‘চরিত্রহননের’ অভিযোগ ঢাকা ক্যাপিটালসের

বিপিএলে ‘চরিত্রহননের’ চেষ্টা চলছে—বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ। আজ সিলেটে ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনকে পাশে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তাঁর দলের ক্রিকেটারদের মানসিক অস্বস্তিতে ফেলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

ক্রিকেটারদের এমন কিছু মানসিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি, যা ক্যামেরায় ধরা পড়ে না। ফিক্সিং বন্ধে এবারের বিপিএলে কঠোর অবস্থানের কথা আগেই জানিয়েছিল বিসিবি। তবে সেই কঠোরতার ক্ষেত্রে ‘আইসিসির রেগুলেশন’ মানা হচ্ছে না বলে দাবি ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহীর।

আজ সকালের একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আতিক ফাহাদ বলেন, ‘আজকে সকালের একটা ঘটনা বলি। রহমানউল্লাহ গুরবাজ সারা রাত ঘুমাতে পারেনি। সকাল ৭–৮টার দিকে ঘুমিয়েছে। হঠাৎ কয়েকজন এসে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া বা টিম ম্যানেজমেন্টকে না জানিয়ে, শুধু নক করে তাঁর রুমে ঢুকে গেছে। আমাকে গুরবাজ এসে বলছে, হোয়াট ইজ দিস?’

এই ঘটনার পর আফগানিস্তানের ওপেনার গুরবাজকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাঁর ফোনও পরীক্ষা করা হয়। পরে গুরবাজ ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে তাঁকে জানানো হয়, এভাবে কোনো ক্রিকেটারের রুমে ঢুকে যাওয়ার নিয়ম নেই। আগে থেকেই জানাতে হয়। ক্রিকেটারদের মানসিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকা জরুরি—এ কথাও জানানো হয়েছে তাঁকে।

সংবাদ সম্মেলনে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচের সময় জাতীয় দলের সহ–অধিনায়ক সাইফ হাসানকে প্যাড পরা অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে। ঢাকার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন বলেছেন, ‘ম্যাচের মধ্যে যখন একটা ছেলে প্যাড পরে আছে, তখন এসে তাকে পোক করে কীভাবে! খেলোয়াড় হিসেবে আমার ১৫–১৬ বছরের ক্যারিয়ারে এ রকম ঘটনা কখনো শুনিনি। পৃথিবীর কোথাও এমন হয় না।’

নির্দিষ্ট একটি দল ছাড়া বিপিএলের অন্য সব দলের সঙ্গেই এমন আচরণ করা হয়েছে বলে দাবি ঢাকা ক্যাপিটালসের। সেই দল কোনটি—এমন প্রশ্নের উত্তরে আতিক ফাহাদ বলেন, ‘আপনারা স্মার্ট আছেন, বুঝে নেন।’

ঢাকা ক্যাপিটালসের অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা তাদের অভিযোগগুলো লিখিত দিতে বলেছি। সেগুলো নিয়ে ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের সঙ্গে কথা বলব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *