সৈয়দপুরের পৌর মেয়র ও ১১ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা এক হাজার জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের।

সৈয়দপুর প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে পৌর মেয়রসহ এক হাজার ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। রেলওয়ের ভূ-সম্পদ বিভাগের ফিল্ড কানুনগো মোঃ জিয়াউল হক ২৫ এপ্রিল রাতে সৈয়দপুর থানায় এ এজাহার দায়ের করেন। দায়েরকৃত এজাহারে ১১ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরো এক হাজারজনকে আসামীভুক্ত করা হয়েছে।

এজাহার নামীয় আসামীরা হলেন সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবী, নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর এরশাদ হোসেন পাপ্পু, জোবাইদুর রহমান শাহীন, মোঃ শাহীন, কাজী মনোয়ার হোসেন হায়দার, আব্দুল খালেক সাবু, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক দিলনেওয়াজ খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার ঠিকাদার আসাদুল ইসলাম আসাদ, সবজি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ জয়নুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ।

এজাহারে জানা যায়, সৈয়দপুর পৌর কর্তৃপক্ষ রেলওয়ের ব্যাকবোন ড্রেনের ওপর ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে শাক সবজির বাজার নির্মাণ করছিল। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল জোনের পাকশী বিভাগের ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান গত ১৩ এপ্রিল পার্বতীপুরে রেলওয়ের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে এসেছিল। এদিনই তিনি খবর পেয়ে বেলা ৩টা নাগাদ সৈয়দপুর পৌরসভা কর্তৃক নির্মাণাধীন ওই সবজি মার্কেটে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিল সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন। ঘটনাস্থলে পৌছে রেলওয়ে ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা মার্কেট নির্মাণ কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এ খবর পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে পৌছালে মেয়রের নির্দেশে পরিষদের কতক কাউন্সিলর ও এজাহারে উল্লেখকৃত ব্যক্তিরা কমপক্ষে এক হাজার লোক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে।

উচ্ছৃঙ্খল জনতা এ সময় সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করে এবং সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িতে আঘাত হানে। এমন অবস্থায় পুলিশের সহযোগিতায় রেল কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ স্থানীয় ইউএনও ঘটনাস্থল দ্রুত ত্যাগ করে। পরে রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হয়। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি মেলায় গত ২৫ এপ্রিল রাতে ফিল্ড কানুনগো মোঃ জিয়াউল হক জিয়া বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন বলে জানান।