সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে গ্রাম উন্নয়নে এগিয়ে এম.এ.এইচ জাকারিয়া।

রউফুল আলম, স্টাফ রিপোর্টারঃ রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাসের কবিতার সুরে বলি,’ আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে

কাজে বড় মানুষের খুবেই অভাব। কাজে বড় এমনই একজন সমাজ সেবক এম.এ.এইচ জাকারিয়া। তিনি চেয়ারম্যান আজিজার মিঞা সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। তিনি সরকারের পাশাপাশি সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘ ১২/১৩ বছর ধরে অসহায় মানুষদের জীবনমান উন্নয়নে বিরামহীন গতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তাঁ সরকারের যত উন্নয়ন ও অর্জন অব্যাহত রাখতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজ অর্থায়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। যা’গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে জনগণের মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছেন। তিনি সমাজের যে কোন অন্যায়, অনিয়ম- দূর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। বিশেষ করে যৌতুক লোভী, শিশু ও নারী নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে ওনার কঠোর অবস্থান। প্রয়োজনে তিনি নির্যাতিত পরিবারকে আইনি সহায়তা দেয়াসহ আর্থিক সহায়তা করে থাকেন।

তিনি পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ, সময়ের গুণাবলী, সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহসী সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুঁটিমারী ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আজিজার মিঞার সন্তান। তিনি ১ মেয়ে ও ১ ছেলের বাবা। মেয়ে বিসিএস স্বাস্থ্য। ছেলে বিসিএস ইঞ্জিনিয়ার উভয়ে ঢাকায় কর্মরত। জামাতা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম -সচিব। তাঁর স্ত্রী শামিম আরা মুক্তা গৃহিনী সফল মাতা। এক কথায় তিনি একজন সফল ও সার্থক অভিভাবক। তিনি একজন সৎ, ন্যায়, নীতিবান, উদার সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত। ছাত্র জীবন থেকে তিনি অসহায় সহজ সরল ও দুঃখী মানুষের পাশে থেকে মানব সেবায় অভ্যস্ত ছিলেন। ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুশীল সমাজ, তরুন-নবীন, যুব-প্রবীণ সমাজে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সুনাম। তিনি যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ একজন সমাজ সেবক হিসাবে সমাজে সমধিক পরিচিত।

তিনি এলাকার ছোটো বড় বৃদ্ধ বর্ণীতার প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখীসহ সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গী। অসহায় দরিদ্র মানষ ও অসহায় ছিন্নমুলদের পরমবন্ধু। তিনি তাদেরকে মনে প্রানে ভালো বাসেন। এলাকার কোন জায়গা যেন খালি পরে না থাকে, সেজন্য বিভিন্ন প্রকার গাছের চারা বিতরণ,শাক-সবজীর বীজ প্রদান, বাল্যবিবাহ, মাদক, ইভটিজিং বিরুধী লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক করা। প্রতিটি পাড়া মহল্লায়, নারী শিশু নির্যাতণ, শিশু শ্রম বন্ধে আলোচনা করাসহ তিনি এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজের জন্য ২০১০সালে প্রতিষ্টা করেন প্রায়ত চেয়ারম্যান আজিজার মিঞা সমাজকল্যাণ সংস্থা। তিনি দেশ-মাটি-মানুষের কল্যাণে অসামান্য অবদানের জন্য “ সিঃহ পুরুষ” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া একজন সমাজকর্মী। তাই পেয়েছেন অসংখ্য সন্মাননা ক্রেস্ট। অর্জন করেছেন কিশোরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের আজীবন উপদেষ্টার পদ।
জানা যায়, এম.এ.এইচ. জাকারিয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে চালু করেছেন, মান সম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত আলোকিত মানুষ চাই- এরই লক্ষ্যে উপজেলার সমস্ত প্রাইমারীর সকল বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পুরুষ্কার প্রদান করেন। নিরক্ষর মুক্ত গ্রাম গড়ার লক্ষ্যে গ্রামের প্রতিটি নিরক্ষর মানুষকে স্বাক্ষর জ্ঞান দান কর্মসূচীর আওতায় এনে- যাতে টিপসহি দিতে না হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং গ্রামগুলোকে নিরক্ষর মুক্ত ঘোষণা। নারীর ক্ষমতায়নে আরো বেশি অগ্রগতি চাই- এই মর্মে কিছু স্বামী পরিত্যক্তা নির্যাতিতা অবহেলিত মহিলাকে পুনর্বাসন এবং সেলাই মেশিন প্রদান। শুধু তাই নয় নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধিতে ও কর্মসংস্থান তৈরীতে নারীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং নির্যাতিতা মহিলাদের আইনী সহায়তা দেয়ার জন্য আত্বপ্রকাশ করছে চেয়ারম্যান বাড়ী মহিলা উন্নয়ন সমিতি। বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রথা উচ্ছেদে কিছু কার্যকর ভূমিকা। এম.এ.এইচ. জাকারিয়া সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ভাই আমি ব্যক্তিগতভাবে এসব সামাজিক, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক মহৎ কাজের মধ্য দিয়ে সরকারের এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে অত্র উপজেলার ২ নং পুটিমারি ইউনিয়নকে শতভাগ নিরক্ষর মুক্ত করার কাজে আত্ননিয়োগ করে আমার ভেড়ভেড়ী গ্রামকে নিরক্ষর মুক্ত করতে পেরেছি। ইনশাআল্লাহ! কারণ সভ্যতার কল্কং নিরক্ষরতা। এই ভাবে সমস্ত ইউনিয়ন তথা উপজেলাকে যেন নিরক্ষর মুক্ত করতে পারেন। এটাই তাঁর প্রত্যাশা। তিনি সরকারের এই উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে বিত্তবানদের প্রতি এগিয়ে আসার আহবান জানান। এটাই হোক সকল বিত্তবানদের অঙ্গিকার। যেখানে ভবিষ্যত প্রজন্মের তরে থাকবে- সম্ভাবনার অপার দিগন্ত। মান সম্মত শিক্ষা ও গুনগত শিক্ষা- মানবিক সমাজ গড়ার পূর্ব শর্ত। দারিদ্র্য ও মানবিক দারিদ্র্যকে দুর করে যে শিক্ষা মানব উন্নয়ন ঘটায়, তা’ টেকসই জ্ঞান ভিত্তিক সমাজের জন্য অপরিহার্য। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন- ২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ যেমন মানসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত আলোকিত মানুষ চাই, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত, নিরক্ষর মুক্ত, বাংলাদেশ চাই। নারীর ক্ষমতায়নে আরো অগ্রগতি চাই ইত্যাদি । এম.এ.এইচ. জাকারিয়া সাহেবের অদম্য ইচ্ছা শক্তি মনের কথা গুলো ছন্দে বলি, ‘যদি মনে কর পরাজিত তুমি, তাহলেই তুমি পরাজিত। যদি মনে কর তোমার সাহস কুলাবে না, তাহলেই তুমি প্রতিহত। জিততে চাও, অথচ ভাবছো পারবে না; তাহলে কিছুতেই পারবে না তুমি। যদি ভাব তুমি হেরে যাবে, তাহলে হেরে যাবেই তুমি। পৃথিবীতে সফল সেই হয়, যে প্রবল মনে চায়। জীবন যুদ্ধে সর্বদা জিততে থাকে সেই। এটাই যথেষ্ট। এমন জীবনের প্রত্যয় গড়বে যে জীবনে শুধু আলো আর নূর দিয়া। কবির কন্ঠ দিয়ে বিদায় আজকের মতো, উষর মরুর ধুসর বুকে, বিশাল যদি শহর গড়ো, একটি জীবন সফল কর, তাহার চেয়ে অনেক বড়।