প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে এগিয়ে আসতে হবে-মনোরঞ্জন শীল গোপাল।

এনামুল মবিন(সবুজ)

স্টাফ রিপোর্টার.

দিনাজপুরে ইয়াসমীন ট্রাজেডির ২৭ বছর পূর্তি ও গণ আন্দোলনে শহীদ সামু-কাদের-সিরাজ স্মরণে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত।

শনিবার (২৭ আগস্ট) ‘ইয়াসমীন ট্রাজেডির ২৭ বছর পূর্তি ও গণ আন্দোলনে শহীদ সামু-কাদের-সিরাজ স্মরণে ইয়াসমিন ট্রাজেডি পরিষদের আহবায়ক মোঃ মজিদুল ইসলাম মাষ্টারের সভাপতিত্বে দশমাইলের পূর্ব সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল(এমপি)।

দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও ইয়াসমিন ধর্ষন ও হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী নেতা মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী-শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন। তারপরেও কি নির্যাতন বন্ধ হয়েছে ? পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের খবর। তাই নারী-শিশু নির্যাতন ও ধর্ষন মামলা গুলো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে এগিয়ে আসতে হবে। দিনাজপুরের সহজ-সরল ও বাহে মানুষ গুলো ৯৫’র ইয়াসমিন ধর্ষন ও হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দেখিয়েছেন তাদের বাহুকারের জোড় কত। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে আমরা যে বিচার পেয়েছি তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. মাসুদুল হক, জেলা আওয়াম লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আব্দুল করিম, কাহারোল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম নুর, সাবেক সদস্য বজলুল করিম বাবলু, সুন্দরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন মানিক, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হারেস। 

অনুষ্ঠানটি সুন্দরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হামিদুল ইসলাম এর সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে আন্দোলনে শহীদ সামু-কাদের-সিরাজ স্মরণে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট কিছু বিপথগামী পুলিশ সদস্য ইয়াসমিনকে ধর্ষনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারই প্রতিবাদে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল তার চূড়ান্ত রুপ নেয় ২৭ আগস্ট। সেদিন পুলিশের গুলিতে সামু, কাদের, সিরাজসহ ৭ জন নিহত হয়। সেই থেকে তাদের স্মরণে প্রতিবছর ২৭শে আগস্ট স্মরণ সভা পালিত হয়ে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *