নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।

মো:রেজাউল করিম রঞ্জু,নীলফামারী প্রতিনিধি: কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে নীলফামারীতে। বুধবার রাতে প্রায় দেড়ঘন্টা দমকানো ঝড় বৃষ্টিতে উড়ে গেছে ঘরের চাল ,গাছ পড়ে ভেঙে গেছে সহস্রাধিক ঘরবাড়ি, ক্ষতি হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উপড়ে গেছে বিদ্যুতের খুটি ও পুরোনো গাছ,নুয়ে পড়েছে ক্ষেতের ভূট্টা ও বোরো ধান। বিদ্যুতের খুটি উপড়ে যাওয়ায় ও তার ছিরে যাওয়ায় প্রায় ১৮ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন। চড়ম ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মানুষ।


সদরের ইটাখোলা ইউনিয়ন এর সিংদই হাতীবান্ধা এলাকার বাসিন্দা আলম মিয়া জানান ,কালবৈশাখী ঝড়ে তার নতুন পাকা ঘরের টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে পার্শবতী জমির মাঝে ফেলে রেখেছে। সে পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। লক্ষীচাপ ইউনিয়নের স্বপ্না রায় বলেন, আমার একটি পুরোনা গাছ ছিলো সেটিও উপড়ে আমার ঘড়ে পড়েছে আমরা পরিবারের লোকজন অল্পের জন্য জীবনে বেঁচে যাই।

এছাড়া কচুকাটা,চওড়া বড়গাছা, গোড়গ্রাম, রামনগর, কুন্দপুকুর ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ঝড়ে বিভিন্নভাবে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন ।


ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির জানান আমার ইউনিয়নে প্রায় তিন’শ পরিবারের ঘড়বাড়ী ভেঁঙ্গে গেছে। অনেকের গাছপালা,ফসলাদি নষ্ট হয়েছে। অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে ।


জেলা ত্রাণ ও পুণর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, নীলফামারী সদরে প্রায় ছয়শত পরিবার ও সৈয়দপুরে দুইশত ষাট পরিবারের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি আমরা জরুরী ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য ব্যবস্থা করব।