নীলফামারীতে অবৈধ করাত কলের ছরাছরি


মো:রেজাউল করিম রঞ্জু,নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারীতে অবৈধ করাত কলের ছড়াছড়ি। লাইসেন্স বিহীন করাত কল দিয়ে ভরে গেছে এ জেলার আনাচে কানাচে। জেলার ছয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুড়ে দেখা গেছে, পরিবেশের বালাই নেই এবং কোন নিয়মনীতি না মেনে, চলছে করাত কলের অবৈধ ব্যবসা। এগুলো দেখার যেনো কেউ নেই।
জেলা বনবিভাগ অফিস সূ্েএ জানা গেছে,জেলার ছয় উপজেলায় অবৈধ করাত কলের সংখ্যা ২৪৮ টি। লাইসেন্স রয়েছে ১৮টি করাত কলের।নতুন ভাবে আবেদন করেছে ১৪টি। সচেতন মহলের দাবী ,অবৈধ করাত কল অপরিকল্পিত নির্মানের কারনে প্রায় দুর্ঘটনার স্বীকার হন মানুষ। প্রতিটি করাত কল নিয়মের মধ্যে লাইসেন্স করে তাদের পরিবেশের মধ্যে থেকে ব্যবসা করতে হবে। নতুবা অবৈধ সকল করাত কল বন্ধ করে দিতে হবে।
খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের হালির বাজরের করাত কল মালিক এনামুল হক বলেন,আমার পরিবেশের ছারপত্র নেই। লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে রাখছি। তবে আমাদের করাত কল মালিকদের সকলের বৈধভাবে মিল চালানোর দরকার। কিন্তু জেলায় বৈধ করাত কলের সংখ্যা অনেক কম,সবগুলো করাত কল অবৈধ ভাবে চলছে।অনেকে পরিবেশের বালাই মানে না, বাড়ীর সাথে লাগিয়ে শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে বিকট শব্দে করাত কল চালাচ্ছেন। তবে বনবিভাগের তদারকির গাফিলতির কারনে এই অবস্থা।
সরেজমিনে সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের কচুকাটা বাজারের পাশে জলঢাকা রোডের সাথে লাগানো অবৈধ ২টি করাত কল রয়েছে। তাদের নেই পরিবেশের ছারপত্র, নেই লাইসেন্স। ধুমচে চলছে করাত কলের কার্যক্রম। আর প্রতিনিয়ত র্দুঘটনা একের পর এক ঘটেই চলছে। দেখা যায় একটি করাতকল চলছে শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে, যার বিকট শব্দে স্থানীয়রা বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। বিকট শব্দে কেউ কেউ অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন,আর শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা করতে অসুবিধায় পরতে হয়।
জেলা ফরেষ্টার বনবীদ মো:আ: মোনায়েমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা সবসময় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকি। আমরা মাঝে মধ্যে মোবাইল কোর্ট করি।অনেক গুলো লাইসেন্স প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে করাত কল মালিকরা সচেতন হলেই সম্ভব, বৈধ ভাবে করাত কল চালানো।তারা অসেচেতন বলেই আজ অবৈধভাবে করাত কল চালাচ্ছে।তাদেরকে একাধিকবার নিষেধ করেও লাভ হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *