তিস্তায় আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষক-কৃষাণীর মুখে অম্লান হাসি ফুটে উঠুক।। সচিব মিজানুর রহমান। 

ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধিঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিয়ে যে শস্কার প্রতিধ্বনি বাতাসে ভাসছে, তার মধ্যে আমন মৌসুমে তিস্তা টি১টি ক্যানেলের আশপাশের কৃষক কৃষাণীর ধানের বাম্পার ফলনের একদিকে যেমন তাদের অম্লান হাসি ফুটে উঠেছে,অপর দিকে আবাস দিচ্ছে স্বস্তির ইঙ্গিত। এমনটাই জানালেন, ডালিয়ায় সফররত বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পাদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান। 

শুক্রবার বিকাল ৩ টায় ৭ নং খালিশা চাপানি ইউনিয়ন টি১টি ক্যানেল পরিদর্শন শেষে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প, বাপাউবে, রংপুর খরিফ -২ মৌসুমে উফশী আমন ধানের শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর পওর সার্কেল ২ বাপাউবো রংপুর মোঃআবু তাহের এর সভা প্রধানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান প্রকৌশলী উত্তর অঞ্চল বাপাউবো রংপুর মহাম্মদ আমিরুল হক ভূঞা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা, ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সেকেন্দার আলী, উপবিভাগীয় প্রকোশলী অমিতাভ চৌধুরী,রাশিদীন,উপসহকারী প্রকৌশলী রবিন ফিরোজ, আপেল মাহমুদ, আব্দুল আলিম,রাশিদুল ইসলাম এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী পকৌশলী মোঃ রকি হোসেন।

উল্লেখ্য উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে এবার উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে ২৩ হাজার ৪ শত ৩৮ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। তারমধ্যে স্থানীয় জাতের ধান ১৮৭ হেক্টর, হাইব্রিড জাতের ধান ৫ হাজার ২ শত হেক্টর এবং উফশী জাতের ১৫ হাজার ৫২ হেক্টর জমিতে বিনা-৭, বিনা-১৬, বিনা-১৭, বিনা-২০ ও ব্রি-ধান-৭৫, ব্রি-ধান-৮৭ এবং কালোজিরা-ধান কর্তন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *