তারাগঞ্জে নারীর জমির মামলা আদালতে পুলিশের কৌশলী সাহসে প্রভাবশালীর দখলের পায়তারা।

আশরাফুল ইসলাম , তারাগঞ্জ প্রতিনিধিঃ এক নিরীহ বিধবার জমির মামলা আদালতে চলমান থাকার পরেও এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে জোরপূর্ব জমি দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কৌশলী বুদ্ধি দাতা তারাগঞ্জ থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলে জানিয়েছেন এঘটনার চক্রান্তের শিকার ভুক্তভোগি বিধবা মঞ্জুয়ারা বেওয়া। এঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার ১১টার সময় রংপুর তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর এলাকার বাঙ্গালিপুর গ্রামে।


জমি জায়গা সংক্রান্ত এঘটনায় গত ২মার্চ রংপুর সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছে এক ভুক্তভোগি-যার মামলা নম্বর-অন্য-২৭/২০২২, মামলা করার পর প্রভাবশালী মহলটি ওই নিরীহ বিধবার পরিবারকে নানা প্রকার হুমকিধামকি দিয়ে আইন অমান্য করে গত শুক্রবার দিন-দুপুরে ইট ও বালু নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে জমি দখল করার পায়তারা করে। এতে আইন শৃঙ্খলার বিঘœ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করছে এলাকার সুধি সমাজের লোকজন।
সরেজমিনে গিয়ে খোঁজনিয়ে জানাগেছে, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর এলাকার বাঙ্গালিপুর গ্রামের বিধবা মঞ্জুয়ারা বেওয়ার ক্রয় সুত্রে ভোগদখলীয় জমি উপজেলার ঘনিরামপুর মৌজাস্থ জেল.এল নম্বর সাবেক-৪৫, নতুন-১৭, যাহার সি.এস খতিয়ান নম্বর-৬৮৫, এস.এ খতিয়ান নম্বর-৭০৯, সাবেক দাগ নম্বর-৯১৮, জমি-২.৮৭ একর মধ্যে ০.১৬ একর সম্পত্তি বাবদ প্রস্তÍুতকৃত আর.এস খতিয়ান নম্বর-৭৮, নতুন দাগ নম্বর- ১৩৮০, জমি ০.১৬শতকের মধ্যে ৩শতক জমি একেই এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে আল আমিন মিয়াসহ একটি প্রভাবশালী মহল জোরপূর্ব দখলের চেষ্টা করলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশিল হয়ে ভুক্তভোগি মঞ্জুয়ারা বেওয়া রংপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করর পর প্রতিপক্ষরা আরও বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠে কছুদিন যেতে না যেতে প্রতিপক্ষরা নানা প্রকার হুমকিধামকি দিয়ে মামলারত বিধবা পরিবারকে হুমকি দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করে। এত ওই নিরীহ বিধবা পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তাহনতায় পড়েছে।


সংক্রান্তে ভুক্তভোগি বিধবা মঞ্জুয়ারা সাংবাদিকদের জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধে আমি আদালতে মামলা দায়ের করেছি। হঠাৎ গত শুক্রবার ১১টার সময় ইট ও বালুসহ দুই গাড়ির মাঝখানে থানার পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর শ্যামল রায়সহ একদল পুলিশ থানার গাড়ি নিয়ে কৌশলে জমি উপর যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ন্যাক্কার জনক ঘটনার পুরা ভিডিও ফুটেজ ওই এলাকার সাধারণ মানুষসহ যুবক ছেলে মেয়েদের মোবাইল ফোনে ধারন করা হয়েছে।
এঘটনার সংক্রান্তে মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে অভিযুক্ত আল আমিন মিয়া বলেন. জমি জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে আমাদের সাথে এঘটনায় গত শুক্রবার মারামাড়ি হয়েছে। আমি মেডিকেলে ভর্তি হয়েছি। আমার আব্বা পুলিশ ছিলেন। আমার ছোট ভাইও বর্তমান পুলিশে কর্মরত আছেন।
এলাকাবাসি ন্যায় বিচারের দাবি করে বিধবা পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কছে জোরদাবি জানিয়েছেন।
এঘটনার সংক্রান্তে তারাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর শ্যামল রায়ের মুঠোফোন (০১৬০৯৬১৩২১৫) নম্বরে জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনার কাছে কি অভিযোগ আছে। একথা বলে তিনি মুঠোফনের লাইনটি কেটে দেন। বিধায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই। তবে তিনি যে কোন মামলা তদন্তর দায়িত্ব পেলে তদন্ত করতে গেলে তিনি প্রায় সময় বাদি বেবাদিদের মাঝে ঝগড়া বিবাদ লাগানোর একটা না একটা কৌশলী বুদ্ধি দিয়েই থাকেন। এরকম অভিযোগ তারাগঞ্জ উপজেলার অনেকই শিকার করেছেন।
তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ এর মুঠোফোন (০১৩২০১৩১৪৫৯) নম্বরে একাধিকবার কলদিয়েও তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই।