তারাগঞ্জে কর্মসংস্থান প্রকল্প শ্রমিকের মজুরীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মহিলা মেম্বারের ছেলে জুয়েলের বিরুদ্ধে।

তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের শ্রমিকের মজুরীর টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়নের মেম্বার, চেয়ারম্যন ও মহিলা সদস্যদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। একই এলাকার জব্বার শাহ্ ছেলে দিন মজুর আবেদুল শাহ্ (৪৩) এ অভিযোগ করেছে।

একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ করেও কোন প্রকার সুরাহা নাপেয়ে হতাশায় ভুগছে ভুক্তভোগিরা। ফলে অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার দাবি করে ওই এলাকার সুধিসমাজের লোকজন।


ভুক্তভোগি আবেদুল শাহ্ সাংবাদিকদের জানান, আমি ইকরচালী ইউনিয়নের ৮ নম্বার ওয়ার্ডের অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের উপকারভোগি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি ১মাসেরও বেশী কাজ করার পরেও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য ফিরোজা মুক্তার ছেলে মাহে আলম সরকার জুয়েল আমাকে বলে আপনার মোবাইল ফোনের সিমকার্ড এর নাম্বার তালিকায় ভূল হয়েছে সংশোধন করতে হবে। তাই আমি সরল বিশ্বাসে তাকে আমার মোবাইল ফোনের সিমকার্ডটি দিই। এরেই মধ্যে সিমকার্ডটি তার কাছ থেকে ফেরত চাইলে সে আমাকে ধমক দিয়ে বলে ভূল সংশোধন হলে পাবি। কিছুদিন পর আমার মোবাইল- ০১৩১৮০৪৯৯৯৭ নাম্বারে অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের শ্রম মজুরি বাবদ ষোল হাজার টাকা নগদ একাউন্টে আসে। সে টাকা বের করে নিয়ে আমাকে সিমকার্ডটি ফেরত দেয়। আমি একজন অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের উপকারভোগি, আমার শ্রম মজুরির অর্থ দিয়ে আমার পুরো পরিবারের খরচ বহন করি। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মেম্বর চেয়ারম্যান সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে কোন প্রকার সুরাহা না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।


এঘটনায় এলাকাবাসি অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার দাবি করেন।
এঘটনায় ইকরচালী ৩নাম্বার ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ফিরোজা বেওয়া মুক্তার ছেলে অভিযুক্ত মাহে আলম সরকার জুয়েল বলেন, অভিযোগকারী আমার জেঠাত ভাই। ভূল বোঝাবুজির কারণে সে অভিযোগ করেছে।
এঘটনায় উপজেলার ইকরচালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলীর কাছে বক্তব্য নিতে গেলে তিনি বলেন, সাংবাদিক, অফিসার সবাই ভাগ নেয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন বলেন, অভিয়োগ পেয়েছি তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।