ডোমারে প্রভাবশালীর অত্যাচারে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার দিশেহারা।

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমারে প্রভাবশালীর অত্যাচারে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে ডোমার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভুগি পরিবার।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চিলাহাটি ঈদগাঁহ পাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাকির হোসেন (৪৩) ও তার স্ত্রী শাপলা আক্তার (২৬) তাদেরএকমাত্র ছেলে সন্তান বায়তুল মোকারম (৮) মিলে নিজস্ব জমিতে বাড়ি করে দীর্র্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছে। জাকিরের প্রতিবেশী মৃত খয়রাত আলীর ছেলে ভিটা বাবলু (৬২) জাকিরের পরিবারের সাথে বিভিন্ন বিয়য় নিয়ে কারণে অকাণে শত্রুতার জের ধরে বিরোধ করে আসছে।

জাকিরের ঘড়ঘেষে ভিটা বাবলু পুকুর খনন করে বিভিন্ন প্রজাতীর গাছ রোপন করেন। যাহা অল্প বাতাসে ভেঙ্গেপড়ে ঘড়বাড়ি ক্ষতি সাধন করে আসছে। উক্ত হেলে পড়া গাছগুলো কাটতে বললে নানা প্রকাশ হুমকি ধামকি দিয়ে গন্ডগোল সৃষ্টি কওে ভিটা বাবলু। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ এপ্রিল বিকালে ভিটা বাবলুর পুকুর পাড়ে থাকা বেশ বড় আকারের একটি মেহেগুনির গাছ উপড়ে জাকিরের বাড়ির দিকে পড়ে এতে করে জাকিরের বেড়াচাটি গাছপালা ও বাথরুমের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। ১৫ এপ্রিল ভিটা বাবলু ও তার দলবল জাকিরের বাড়িতে প্রবেশ করে উপড়েপড় গাছ আনতে গেলে জাকিররা ক্ষতিপূরণ দাবী করে। এতে করে ভিটা বাবলু, আইনুল হক ও তার ছেলে আব্দুর রহমান মিলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জাকিরের পরিবারের উপর চড়াও হয় এবং মারপিট খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জাকিরের স্ত্রী শাপলা আক্তার গত শনিবার নিরাপত্তা ও প্রতিকার চেয়ে ডোমার থানায় ভিটা বাবলুসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগকারী শাপলা আক্তার জানান, আমরা সেখানে বাড়ি করার পর থেকে ভিটা বাবলু আমাদের ভিটা ছাড়া করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। গোপনে ও প্রকাশে আমাদের পরিবারের ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে তারা। তাদের অত্যাচারে আমি ও আমার স্বামী সন্তান সর্বক্ষণ আতংক বিরাজ করি। এবিষয়ে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, বাদীনির অভিযোগ পেয়ে চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই হামিদুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুস্থ্য পরিবেশে ও নিরাপদে বসবাস করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন জাকিরের পরিবার।