ডিমলায় প্রধান শিক্ষক ও চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে মামলা করায় প্রতিবাদ সভা।

ডিমলা নীলফামারী প্রতিনিধিঃ স্কুলের প্রধান শিক্ষক পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ও ঘটনার বিচার না করায় ইউপি চেয়ারম্যানকেও আসামি করা নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

 স্কুলের প্রধান শিক্ষককে পূর্বশক্রতার জেরে মারপিটের ঘটনা আড়াল করতেই কথিত ঘটনার সৃষ্টি করে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। 

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারায় এমন একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা করেছে নাউতারা সোনামুনির ডাঙ্গা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কমিটি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। 

২৮ মে (শনিবার) দুপুরে স্কুলের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। এ সময় স্কুল কমিটির সভাপতি সামছুল হক, সহকারী প্রধান শিক্ষক মনি রায় সহ স্কুলের সকল শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১ মে রাতে পূর্বশক্রতার জের করে এলাকার নিজপাড়া গ্রামের ফয়জুল হকের দুই ছেলে মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী ও তার ছোট ভাই লিটন ইসলাম ও তাদের লোকজন উক্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাহামুদুল হাসান নয়নকে নাউতারা বাজারে মারপিট করে। এ ঘটনা নিয়ে স্কুল কমিটি নাউতারা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আশিক ইমতিয়াজ মোর্শেদ মনির মাধ্যমে স্কুল চত্বরে বৈঠক আহ্বান করে। 

সেই বৈঠকে মারপিটকারী দুই ভাইসহ তাদের লোকজন উপস্থিত হয়নি। উল্টো উক্ত স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর বাবা প্রধান শিক্ষককে মারপিটকারী লিটন ইসলাম তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করার অপরাধ এনে প্রধান শিক্ষক ও ইউপি চেয়ারম্যানকে আসামি করে গত ৩ মে সন্ধ্যায় ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করে (মামলা নম্বর ০২)। এ ব্যাপারে ডিমলা থানার ওসি লাইছুর রহমান বলেন, বাদী তার পঞ্চম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনেছে সেই সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনায়ন করে। মামলাটি তদন্ত চলছে।

ঘটনার বর্ণনা জানার জন্য উভয় পক্ষকে পরিষদে আসার আহ্বান জানাই। এতে প্রতিপক্ষ আমার ডাকে সারা না দিয়ে ব্যক্তি স্বার্থ ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য এবং পরিষদটি কে অস্হিতিশীল ও পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা করার জন্য ৫০৬ ধারায় আমাকে জরিয়ে একটি মিথ্যা মামলা করে।আমি ব্যক্তিগত ভাবে এর সুষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীর শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।