ডিমলায়  অভিভাবক সমাবেশে সদস্যেদের নানা ক্ষোভ

 

ডিমলা ( নীলফামারী )  প্রতিনিধিঃ

নীলফামারী ডিমলায় একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সদস্যদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 অনুষ্ঠানে অভিভাবক সমাবেশে কমিটির সদস্যবৃন্দ বিদ্যালয়টির সার্বিক উন্নয়ন কল্পে বিভিন্ন প্রকার মতামত প্রদান করেন এবং শিক্ষকদের খামখেয়ালীপনা মনোভাব থেকে বেড়িয়ে এসে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করতে শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানানো হয়। 

এ উপলক্ষে গত ১২ই অক্টোবর বুধবার সকালে উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া দ্বি মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়টির বর্তমান  সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মঈনুল হকের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তাফার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদার রহমান ভেদু, সহকারী প্রধান শিক্ষক সহিদা ইয়াসমিন, চেয়ারম্যান সহিদুজ্জামান সরকার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল হক হুদা, এডহক কমিটির সদস্য ও ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম, কামিনী কুমার রায়, সমাজ সেবক আব্দুল লতিফ। এ সময় বক্তব্য রাখেন অভিভাবক সদস্য সফিকুল, রফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, ডাঃ মশিউর রহমান লেবু প্রমুখ। 

উক্ত অভিভাবক সমাবেশে বিদয়্যালয়টির বর্তমান নানাবিধ সমস্যা তুলে ধরে সভাপতি মঈনুল হক। তিনি বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ কমিটির সজাগ দৃষ্টি না থাকায় শিক্ষকদের খাতা কলমে উপস্থিতি থাকলেও শিক্ষার মান নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষগতার পাশাপাশি বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ও কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে পাঠদান করানো হয়। যা নিয়ম বহির্ভুত। অভিভাবক সদস্য ডাঃ মশিউর রহমান লেবু বলেন, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নয়নে স্বয়ং শিক্ষার্থীরাই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। এতেই প্রতিয়মান হয় কতটা হ-য-ব-র-ল অবস্থায় আছে শিক্ষা ব্যবস্থা। 

সদস্য সফিকুল, রফিকুল ইসলাম সহ অনেকে পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিক হওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এলাকার গৌরব। বর্তমান এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের ভালো রেজাল্ট আসে না। সে বিষয়গুলো শিক্ষকদের দেখতে হবে। সভাপতি মঈনুল হক বিদ্যালয়টির হিসাব নিকাশ কিছু জানা যায় না উল্লেখ্য করে বলেন, সরকারী সুযোগ সুবিধা গ্রহন করা সত্ত্বেও কেন শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের গাফিলতি। শিক্ষকদের কঠোর হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করাসহ শিক্ষার মান উন্নয়নে যা করনীয় তা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে করতে হবে। কমিটি হিসাবে যাহা করনীয় তার সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা আমরা করবো। এ সময় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সহিদা ইয়াসমিন বলেন, শিক্ষক – অভিভাবক – কমিটির সদস্য ও ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্য পূর্বক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে মুঠোফোন ব্যবহার নিষেধ সহ ক্লাশে নিয়মিত ড্রেস পরিধান এবং পিছিয়ে পড়া অল্প মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাড়তি ক্লাশ পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্বের স্থানে নিয়ে আসতে মোক্ষম ভুমিকা রাখার প্রত্যয়ব্যক্ত করেন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *